এক্স-শাহীন্স অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা (ইসাদ)
একটি বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন
অনুমোদন: ২৬ জুলাই, ২০০৮ ইং

গঠনতন্ত্র

 

ধারা-১:  সংগঠনের নাম:
‘‘এক্স-শাহীন্স অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা’’

ধারা-২: সংগঠনের ঠিকানা:
অস্থায়ী কার্যালয়:- বি এ এফ শাহীন কলেজ কমপ্লেক্স, তেজগাঁও, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২০৬। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সংগঠনের কার্যালয় ঢাকা জেলার যে কোন স্থানে স্থানান্তরিত করা যাবে। সংগঠনের কার্যালয় স্থানান্তরিত হলে ০১ (এক) সপ্তাহের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

ধারা-৩: সংগঠনের কার্যএলাকা:
ঢাকা জেলা। পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ ব্যাপী কার্যক্রম সম্প্রসারন করা যাবে।

ধারা-৪: সংগঠনের ধরণ:
এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচছাসেবী কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমের সমম্বয়ে সমাজকল্যাণমূলক ও মানব হিতৈষী কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ধারা-৫: সংগঠনের বিস্তারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নিম্নোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা হবে:

    ১. শাহীন, ঢাকার সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করা।
    ২. শাহীন, ঢাকার গৌরব ও ঐতিহ্য সমুন্বত রাখার চেষ্টা করা।
    ৩. শাহীন, ঢাকার সর্বোচ্চ অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা।
    ৪. শাহীন ঢাকার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য সহযোগিতা করা।
    ৫. প্রয়োজনীয় সময়ে বা যে কোন প্রয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা।
    ৬. সংগঠনের ভবিষ্যত কর্মকান্ডের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা ও সহযোগিতা প্রদান করা।
    ৭. বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠনের সকল সদস্যের তথ্য সম্বন্ধে রেকর্ড প্রস্তুত করা ও তা যথাযথ ব্যবস্থাপনা করা।
    ৮. সংগঠনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে শিক্ষাসহ সামাজিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করা।
    ৯. শাহীন, ঢাকার শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা।
    ১০. প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা দেশের যে কোন প্রয়োজনে, যে কোন সময়ে সর্বোচ্চ দক্ষতা দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রম কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করা।
    ১১. প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান।
    ১২. প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান।
    ১৩. মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সম্বর্ধনা প্রদান, অসচ্ছল মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বৃত্তি প্রদান এবং শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা।
    ১৪. বয়স্ক, শারীরিকভাবে অক্ষম এবং মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র ও শিশু কেন্দ্র স্থাপন করা।
    ১৫. কার্যক্রমের সুবিধার্থে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা। সরকারি ও বেসরকারি সকল সংস্থার সাথে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স¤পর্ক স্থাপন। গবেষণা, সভা, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা, উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।

ধারা-৬: সদস্যপদ:

    (ক) সদস্য পদের যোগ্যতা :
    বি এ এফ শাহীন (তেজগাঁও, ঢাকার) যে কোন প্রাক্তন শিক্ষার্থী নিম্নবর্ণিত শর্তে এ সংগঠনের সাধারণ সদস্য পদের জন্য যোগ্য বলে গণ্য হবেন।
    শর্ত ঃ
    তাকে শাহীন, ঢাকা থেকে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে অথবা কমপক্ষে এক শিক্ষাবর্ষ তাকে শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে।
    (খ) সদস্য ভর্তির নিয়মাবলী:
    ৬.খ.১ সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে ৫০০/-(পাঁচশত টাকা) ভর্তি ফি সহ কার্যনির্বাহী পরিষদ বরাবরে জমা দিতে হবে।
    ৬.খ.২ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী সদস্যপদের আবেদন পত্র মঞ্জুর/খারিজ হবে।
    ৬.খ.৩ ছাত্রদের জন্য বার্ষিক চাঁদা এককালীন ৬০০/- (ছয়শত টাকা), চাকরিরত কিংবা ব্যবসায়ীদের জন্য বার্ষিক চাঁদা ১,২০০/- (একহাজার দুইশত টাকা), এবং দুই বছরের অধিক সময় ধরে প্রবাসীদের জন্য ২০ ইউএস ডলার অথবা সমমান হারে বার্ষিক চাঁদা নগদ/ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার আকারে সংগঠনের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করতে হবে।
    ৬.খ.৪ জমাকৃত আবেদন পত্র কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য খাতায় লিপিবদ্ধ হবে।

ধারা-৭: সদস্যপদের ধরণ, অধিকার ও সুবিধা:

এই প্রতিষ্ঠানে নিম্নরুপ সদস্য থাকবে:
১) সাধারণ সদস্য, ২) সহযোগী সদস্য, ৩) সম্মানসূচক সদস্য

    ১) সাধারণ সদস্য
    বার্ষিক চাঁদা পরিশোধকারী সকল সদস্য সংগঠনের সাধারণ সদস্য। সাধারণ সদস্য সংখ্যার কোন উর্ধ্বসীমা থাকবে না। সাধারণ সদস্যদের ভোটাধিকার এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণের অধিকার থাকবে। সাধারণ সদস্য, তাদের স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানেরা এ সংগঠনের সকল সুবিধাদি ভোগ করতে পারবেন।

    ২) সহযোগী সদস্য
    শাহীন, ঢাকার কোনো প্রাক্তন কিংবা বর্তমানে কোনো শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কার্যনির্বাহী পরিষদ বরাবর আবেদন করে অ্যাসোসিয়েট সদস্য হতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোনো সদস্য চাঁদা লাগবে না। সহযোগী সদস্যদের ভোটাধিকার ও কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণের অধিকার থাকবে না। সহযোগী সদস্য, তাদের স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানেরা এ সংগঠনের সকল সুবিধাদি ভোগ করতে পারবেন।

    ৩) সম্মানসূচক সদস্য
    বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডে যাদের সহযোগিতা লাভজনক এমন জননন্দিত এবং যারা তাদের কর্মের গুণে সম্মানিত, এমন ব্যক্তিবর্গকে তাদের পূর্ণ সম্মতিতে সম্মানসূচক সদস্যপদ দেওয়া যেতে পারে। কার্যনির্বাহী পরিষদের সমর্থন ছাড়া এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। এ ধরনের সদস্যপদের জন্য তাদেরকে কোনো রকম সদস্য চাঁদা প্রদান করতে হবে না। এ ধরনের সদস্যদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে না। সম্মানসূচক সদস্য, তাদের স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানেরা এ সংগঠনের সকল সুবিধাদি ভোগ করতে পারবেন।

ধারা-৮: সদস্যপদ বাতিলের নিয়মাবলী:

নিুেউল্লেখিত কারণে একজন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হতে পারে:-

    ক) ১ বছরের মধ্যে বার্ষিক চাঁদা প্রদান না করলে।
    খ) পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
    গ) স্বেচছায় পদত্যাগ করলে।
    ঘ) আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে।
    ঙ) পাগল কিংবা দেউলিয়া সাব্যস্থ হলে।
    চ) গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কোন কার্যকলাপে লিপ্ত হলে।
    ছ) রাস্ট্র বা সমাজ বিরোধী কোন কাজে অংশ গ্রহণ করলে।
    জ) সংগঠন থেকে বেতন, ভাতা, সম্মানী বা কোন প্রকার আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করলে।
    ঝ) মৃত্যুবরণ করলে।

ধারা-৯: সদস্যপদ পুনঃলাভের পদ্ধতি:

সদস্যপদ হারানোর পর উপযুক্ত জবাব লিখিতভাবে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এর কাছে পেশ করতে হবে। সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ঐ জবাব কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন। সভায় ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য তা অনুমোদন করলে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করে পুনরায় সদস্যপদ লাভ করা যাবে।

ধারা-১০: সাংগঠনিক কাঠামো:

সংগঠনের ব্যবস্থাপনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হবে তিনটি-যথা:
১। সাধারণ পরিষদ।
২। কার্যনির্বাহী পরিষদ।
৩। উপদেষ্টা পরিষদ।

    ১। সাধারণ পরিষদ:
    সাধারণ সদস্য বলতে বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এর শুধুমাত্র চাঁদা পরিশোধকারী সদস্যদের সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। এ পরিষদের সদস্য সংখ্যার কোন উর্দ্ধসীমা থাকবে না।

    ২। কার্যনির্বাহী পরিষদ:
    সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে অথবা দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা/নির্বাচনী সভায় উপস্থিত সদস্যদের প্রস্তাবনা ও সমর্থনে/সর্বসম্মতিক্রমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে। এ পরিষদের মেয়াদ হবে ০২ (দুই) বছর। এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে নিম্নোক্ত পদবিন্যাস অনুযায়ী ১৩ (তের) জন।

 

 ০১  সভাপতি  ১ জন
 ০২  সহ-সভাপতি  ৩ জন
 ০৩  সাধারণ সম্পাদক  ১ জন
 ০৪  যুগ্ম-সম্পাদক  ২ জন
 ০৫  কোষাধ্যক্ষ  ১ জন
 ০৬  যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ  ১ জন
 ০৭  সাংগঠনিক সম্পাদক  ১ জন
 ০৮  সাংস্কৃতিক সম্পাদক  ১ জন
 ০৯  প্রকাশনা সম্পাদক  ১ জন
 ১০  নির্বাহী সদস্য  ১ জন
   মোটঃ  ১৩ জন

৩। উপদেষ্টা পরিষদঃ
    কার্যনির্বাহী পরিষদ তাদের পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবে, যার মেয়াদ হবে ০২ (দুই) বছর। বিশিষ্ট সমাজকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সংগঠনের শুভাকাঙ্খীর সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। এ পরিষদের সদস্য থাকবে ০৫ (পাঁচ) জন, তাদের ভোটাধিকার থাকবে না।


ধারা-১১: কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদন্দ্বীতার ক্ষেত্রে শর্তাবলী/ নির্বাচনের যোগ্যতা:

    সভাপতি:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ২৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    সহ-সভাপতি:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ২০ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    সাধারণ সম্পাদক:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ২০ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    যুগ্ম-সম্পাদক:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    কোষাধ্যক্ষ:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৪. তার কার্য মেয়াদকালীন সময়ে কমপক্ষে ৯ মাস ঢাকা মহানগর এলাকায় বসবাসরত হতে হবে।

    যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৪. তার কার্য মেয়াদকালীন সময়ে কমপক্ষে ৯ মাস ঢাকা মহানগর এলাকায় বসবাসরত হতে হবে।

    সাংগঠনিক সম্পাদক:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৪. তার কার্য মেয়াদকালীন সময়ে কমপক্ষে ৯ মাস ঢাকা মহানগর এলাকায় বসবাসরত হতে হবে।

    সাংস্কৃতিক সম্পাদক:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৪. তার কার্য মেয়াদকালীন সময়ে কমপক্ষে ৯ মাস ঢাকা মহানগর এলাকায় বসবাসরত হতে হবে।

    প্রকাশনা সম্পাদক:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১৫ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৪. তার কার্য মেয়াদকালীন সময়ে কমপক্ষে ৯ মাস ঢাকা মহানগর এলাকায় বসবাসরত হতে হবে।

    নির্বাহী সদস্য:

    ১. অবশ্যই বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এক্স-শাহীনস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এর সাধারণ সদস্য হতে হবে।

    ২. শাহীন, ঢাকা থেকে কমপক্ষে ১০ বছর আগে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

    ৩. কমপক্ষে দুই শিক্ষাবর্ষ শাহীন, ঢাকায় অধ্যয়ণ করতে হবে এবং শাহীন, ঢাকা হতে ন্যূনতম একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হতে হবে।

ধারা-১২: সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা-দায়িত্ব:

    ক) সংগঠনের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রন করবে।
    খ) সংগঠনের বার্ষিক বাজেট অনুমোদন করবে।
    গ) সংগঠনের নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন করবে।
    ঘ) সংগঠনের গঠনতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে কাজ করবে।
    ঙ) সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন হলে ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে তা সংশোধন করবে।
    চ) সংগঠনের বিলোপ সাধনের প্রয়োজন দেখা দিলে ৩/৫ (তিন-পঞ্চমাংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
    ছ) সংগঠনের আর্থিক নিয়মনীতি ও চাকুরীবিধি অনুমোদন করবে।
    জ) সংগঠনের দূর্যোগ মুহুর্তে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং তা চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
    ঝ) তলবী সভা আহ্বানপূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারবে।
    ঞ) সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন ও অনুমোদন করবে।

ধারা-১৩: কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব:

    ক) সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দৈনন্দিন কার্যাবলী পরিচালনা করা।
    খ) সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী আয় ও ব্যয় করা।
    গ) দৈনন্দিন খরচের অনুমোদন করা।
    ঘ) বাজেট প্রণয়ন এবং অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভায় পেশ করা।
    ঙ) অনুমোদিত হিসাব নিরীক্ষা ফার্ম কর্তৃক বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা করা।
    চ) সংগঠনের ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করা।
    ছ) সকল কার্যক্রম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিচালনা করা।
    জ) সংগঠনের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা এবং নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি নির্ধারণ করা।
    ঝ) সংগঠনের নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করা।
    ঞ) সংগঠনের জনবল নিয়োগের বিষয়ে চাকুরীবিধিমালা প্রণয়ন ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদন গ্রহণ করা।
    ঞ) বিশেষ কার্য স¤পাদনে উপ-কমিটি গঠন করা।
    ট) সভা করার দিন, তারিখ, সময়, স্থান এবং এজেন্ডা নির্ধারণ করা।
    ঠ) সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ, খরচের ভাউচার, বই ও ক্যাশ বই করার ব্যবস্থা করা।
    ড) সংগঠনের সকল প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করা।
    ঢ) ধারা-৮ অনুযায়ী কোন সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ধারা-১৪: প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য:

    সভাপতি:

    ১. তিনি সংগঠনের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    ২. তিনি সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদ সভাসমূহে সভাপতিত্ব করবেন।

    ৩. কোন সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি সমান সংখ্যক ভোট পড়ে তবে কাস্টিং ভোট প্রদান করে সমস্যার মিমাংসা করবেন।

    ৪. প্রতিষ্ঠানের যে কোন সদস্যকে মনোনয়ন ও খরচের অনুমোদন দিবেন।

    সহ-সভাপতি:

    ১. সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাসমূহে সভাপতির অনুপস্থিতিতে প্রথম সহ-সভাপতি সভাপতিত্ব করবেন। প্রথম সহ-সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে দ্বিতীয় সহ-সভাপতি এবং দ্বিতীয় সহ-সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে তৃতীয় সহ-সভাপতি সভাপতিত্ব করবেন।

    ২. সহ-সভাপতিগন সংগঠনের সকল কাজে সভাপতিকে সহযোগিতা করবেন।

    সাধারণ সম্পাদক:

    ১. তিনি সংগঠনের অবৈতনিক নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    ২. সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে সভার তারিখ, সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচী নির্ধারণপূর্বক সভার নোটিশ প্রদান করবেন।

    ৩. সংগঠনের পক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি অফিসসমূহে ও দাতা সংস্থাসমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

    ৪. সংগঠনের পক্ষে সকল চিঠিপত্রে ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর প্রদান করবেন।

    ৫. সংগঠনের সকল সম্পদের দেখাশুনা ও প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করবেন।

    ৬. কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষণাবেক্ষন করবেন।

    ৭. বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের কাজের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত হিসাব পেশ করবেন।

    ৮. বাৎসরিক বাজেট প্রণয়ন এবং সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবেন।

    ৯. সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালনায় তদারকি করবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন কমিটির কাজের তদারকি করবেন।

    যুগ্ম-সম্পাদক:

    ১. সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন। প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক অনুপস্থিত থাকলে দ্বিতীয় যুগ্ম-সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।

    ২. যুগ্ম-সম্পাদকগণ সংগঠন পরিচালনায় সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

    কোষাধ্যক্ষ:

    ১. সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন।

    ২. আয়-ব্যয় হিসাব ক্যাশ বইতে উঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

    ৩. সংগঠনের খরচ, বিলের ভাউচার ও সদস্যদের চাঁদার হিসাবসহ সকল প্রকার আর্থিক হিসাবপত্র সংরক্ষণে ব্যবস্থা করবেন।

    ৪. সংগঠনের মাসিক ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং অডিট রিপোর্ট করানোর জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি তিনি গ্রহণ করবেন।

    ৫. ব্যাংকে টাকা জমাদান এবং ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করবেন।

    ৬. তিনি সংগঠনের পক্ষে সকল টাকা গ্রহণ ও প্রদানের রশিদে স্বাক্ষর দিয়ে সিল প্রদান করবেন ও ইস্যু করবেন।

    ৭. তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক বাজেট ও হিসাব এর অডিট বিষয়ে বার্ষিক রিপোর্ট বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।

    ৮. সংগঠনের ফান্ডের দায়িত্বে থাকবেন তিনি এবং অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য পরিপূর্ণ জবাবদিহিতা থাকবে তার।

    ৯. তার দায়িত্বে থাকবে সেভিংস সার্টিফিকেট, ফিক্সড ডিপোজিট রশিদ, ব্যাংক চেক বই ও অন্যান্য মূল্যবান দলিলাদি।

    যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ:

    ১. কোষাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে য্গ্মু-কোষাধ্যক্ষ কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।

    ২. যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ সংগঠন পরিচালনায় কোষাধ্যক্ষের সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

    সাংগঠনিক সম্পাদক:

    ১. তিনি বি এ এফ শাহীন কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এর সকল সদস্যকে সংগঠিত করবেন এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

    ২. সংগঠনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা প্রদান করবেন।

    সাংস্কৃতিক সম্পাদক:

    ১. সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে তিনি সংগঠনের যাবতীয় সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের দায়িত্ব পালন করবেন।

    ২. সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে তিনি সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সকল প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করবেন।

    প্রকাশনা সম্পাদক:

    ১. সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে তিনি সংগঠনের যে কোন প্রকাশনা সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব পালন করবেন।

    ২. সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে তিনি প্রকাশনা বিষয়ক সকল প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করবেন।

    নির্বাহী সদস্য:

    ১. নির্বাহী সদস্য সভায় উপস্থিত থাকবেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মতামত প্রদান করবেন।

    ২. কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।

ধারা-১৫: নির্বাচন পদ্ধতি:

    ১) দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা বা নির্বাচনী সভায় উপস্থিত সাধারণ সদস্যদের সম্মতিক্রমে অথবা সাধারণ পরিষদের প্রত্যক্ষ ভোটে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করতে হবে।
    ২) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল শেষ হওয়ার ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন পূর্বে সাধারণ পরিষদের সভার সিদ্ধান্তক্রমে ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এদের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অপর দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকবে।
    ৩) কাযনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন না এমন সদস্য অথবা সংগঠনের সদস্য নন এমন গণ্যমান্য ব্যক্তি/উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য/ সম্মানসূচক সদস্য/সহযোগী সদস্য নির্বাচন কমিশনের সদস্য হবেন।
    ৪) নির্বাচন কমিশন ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন।
    ৫) যতগুলো ক্যাটাগরীতে ভোট প্রদানের সুযোগ থাকবে, একজন সদস্য সর্বোচ্চ ততগুলো ভোটই দিতে পারবেন। তিনি কোনো একক ব্যক্তিকে একাধিক ভোট প্রদান করতে পারবেন না। ভোটের অধিকার শুধু ঐ সকল সদস্যের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে, যাদের বিগত বছরের সমুদয় পাওনা পরিশোধিত থাকবে।
    ৬) দুই বা ততোধিক প্রার্থী নির্বাচনে সমান সংখ্যক ভোট পেলে লটারীর মাধ্যমে ফলাফল চুড়ান্ত করা হবে।
    ৭) বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
    ৮) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদনের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

ধারা-১৬: সভাসমূহ:

    ক) সাধারণ পরিষদের সভা:

    সাধারণ সভা প্রতি এক বছর পর পর অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে এবং মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

    খ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা:

    কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা বছরে কমপক্ষে ৪ (চার) টি করতে হবে। ৭ (সাত) দিন পূর্বে তারিখ, সময়, স্থান ও এজেন্ডাসহ নোটিশ প্রদান করতে হবে। সভার কোরাম পূর্ণ হবে মোট সদসদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে।

    গ) জরুরী সভা:

    ১। সাধারণ সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

    ২। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিশে আহ্বান করা যাবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম হবে।

    ঘ) বিশেষ সাধারণ সভা:

    যে কোন বিশেষ কারণে সাধারণ সভা ০৭ (সাত) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিশ প্রদান করতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

    ঙ) তলবী সভা:

    ১। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভা আহ্বান না করলে কমপক্ষে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা কর্মসূচীর (এজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাক্ষর দান করতঃ তলবী সভার আবেদন সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দিতে পারবেন।

    ২। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহ্বান না করলে তলবী সদস্যবৃন্দ পরবর্তী ১৫ (পনর) দিনের নোটিশে সভা আহ্বান করতে পারবেন। তবে তলবী সভা সংগঠনের অফিসে ডাকতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

    চ) মূলতবী সভা:

    ১। সাধারণ সভার নির্ধারিত সময়ের সর্বোচচ ৩০ (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে সভা করা যাবে অন্যথায় স্থগিত করতে হবে।

    ২। সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করলে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরবর্তী সভার নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং ঐ স্থগিত সাধারণ সভা কোরাম না হলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাঁদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত হবে ও তাঁদের মতামত/সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করা হবে।

    ৩। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।

ধারা-১৭: পদত্যাগ ও অনাস্থা প্রস্তাব:

যদি কোন কারণে কোন সদস্য পদত্যাগ করতে চান তবে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবরে আবেদন করবেন। সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদত্যাগ করতে চাইলে সহ-সভাপতি/যুগ্ম-সম্পাদক বরাবরে আবেদন করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে পদত্যাগপত্র গৃহীত হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের যে কোন পদের বিরুদ্ধে ২/৩ ভাগ কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারবে। এ ধরনের প্রস্তাব ২/৩ ভাগ সাধারণ সদস্যের অনুমোদনক্রমে চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৮: শুন্য পদ পূরণ:

সাধারণ পরিষদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের সিদ্ধান্তক্রমে কার্যনির্বাহী পরিষদের শুন্য পদ অবশ্যই পূরণ করা হবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণের পর তা কার্যকরী হবে।

ধারা-১৯: আর্থিক ব্যবস্থাপনা:

    ক) সদস্যদের চাঁদা ও অনুদান, দানশীল ব্যক্তিদের দান, সরকারি/বেসরকারি, দেশী/বিদেশী দাতা সংস্থা, ব্যক্তির অনুদান বা ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য উৎসের আয়ই সংগঠনের আয় বলে বিবেচিত হবে।
    খ) সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে যে কোন ব্যাংকে সংগঠনের নামে একটি সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব খুলতে হবে।
    গ) উক্ত সঞ্চয়ী/চলতি হিসাবটি সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এই তিন জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। তবে যে কোন দুই জনের স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা যাবে।
    ঘ) সংগঠনের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই হাতে রাখা যাবে না। অর্থ প্রাপ্তির সাথে সাথে নগদ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
    ঙ) দৈনন্দিন খরচ সম্পাদনের ক্ষেত্রে যথাযথ ভাউচার সংরক্ষণ করতে হবে।
    চ) অর্থ খরচের পর খরচকৃত অর্থ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন নিতে হবে এবং বাৎসরিক সাধারণ সভায় সকল খরচ অনুমোদন এবং বাজেট পেশ ও অনুমোদন করে নিতে হবে।

ধারা-২০: অডিট:

সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ সরকার অনুমোদিত যে কোন হিসাব সংস্থা (অডিট ফার্ম) বা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বারা হিসাব নিরীক্ষা করাতে হবে। এ ধরনের হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হবে। নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।

ধারা-২১: বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান বিষয়ক:

সংগঠনটি বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডোনেশন অধ্যাদেশের বিধি বিধান অনুসরণ করবে। বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সংগঠনটি সরকারের যে কোন একটি সিডিউল ব্যাংকে হিসাব পরিচালনা করবে।

ধারা-২২: সংগঠনের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ:

সংগঠনের কার্যভার সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করতে হবে। নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা চাকুরীর শর্তাবলী ও চাকুরী হতে বরখাস্তের বিষয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের পূর্বে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে এবং কোন প্রকার ব্যাংক ড্রাফট বা জামানত গ্রহণ করা হবে না।

ধারা-২৩: গঠনতন্ত্রের সংশোধন পদ্ধতি:

গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশোধিত অনুচেছদের উপর সংগঠনের সাধারণ পরিষদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনুমোদন গ্রহনের পর তা চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হলে সংশোধনী কার্যকরী বলে বিবেচিত হবে।

ধারা-২৪: আইনও বিধির প্রাধান্য:

অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন সংগঠনটি ১৯৬১ সনের ৪৬নং অধ্যাদেশের আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালনা করবে।

ধারা-২৫: সংগঠনের বিলুপ্তি:

যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে সংগঠনের সাধারণ পরিষদের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ সদস্য সংগঠনের বিলুপ্তি চান তবে যথানিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদনের পর নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। বিলুপ্তিকালে সংগঠনের কোন দায় দেনা থাকলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগন ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।